Header Ads Widget

Responsive Advertisement

উচ্চকক্ষ, গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে টানাপোড়েন




সাংবিধানিক পদে নিয়োগপদ্ধতি, প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানোর প্রস্তাবের পাশাপাশি সংসদে উচ্চকক্ষের গঠন প্রক্রিয়া ও সংবিধান সংশোধন পদ্ধতি প্রশ্নেও ছিল টানাপোড়েন। এরপর সামনে আসে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি কী হবে, সেই প্রশ্ন।

সংবিধান সংস্কার কমিশন উচ্চকক্ষকে ‘অতিরিক্ত তত্ত্বাবধায়নমূলক’ একটি স্তর হিসেবে বিবেচনা করেছিল। এটি সংসদের নিম্নকক্ষের বা সংসদে সরকারি দলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য ও একচ্ছত্র ক্ষমতা কমাবে, এমন চিন্তা থেকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠনের প্রস্তাব করেছিল তারা।

বিএনপিসহ প্রায় সব দলই সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করার বিষয়ে একমত। বিএনপির দলীয় ৩১ দফাতেও এই প্রতিশ্রুতি আছে। কিন্তু উচ্চকক্ষের গঠনপদ্ধতি ও ক্ষমতা নিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য আছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ছিল, উচ্চকক্ষে (সিনেট) নির্বাচন হবে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতিতে। অর্থাৎ নিম্নকক্ষে সাধারণ নির্বাচনে একটি দল সারা দেশে যত ভোট পাবে, তার অনুপাতে দলটি উচ্চকক্ষে আসন পাবে।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ