📢 প্রতিদিনের খেলার সূচি ও লেটেস্ট খেলার খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 চাকরির নিয়োগ, পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষার ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার কমে ৬২.২৫%, জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ------ || ------ 📢 খেলা||- ফুটবল-- আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। ------ || ------ 📢 হরমুজ প্রণালি কবে খুলবে, অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল বিশ্ববাজারে তেলের দাম।

ভারত-চীনকে ‘নিকৃষ্ট দেশ’ বলা পডকাস্ট শেয়ার করলেন ট্রাম্প: বাড়ছে নাগরিকত্ব বিতর্ক




ভারত-চীনকে ‘নিকৃষ্ট দেশ’ বলা পডকাস্ট শেয়ার করলেন ট্রাম্প: বাড়ছে নাগরিকত্ব বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | পকেট নিউজ


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। রাজনৈতিক ভাষ্যকার মাইকেল স্যাভেজের একটি বিতর্কিত পডকাস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। ওই পডকাস্টে ভারত ও চীনসহ কয়েকটি দেশকে ‘হেল-হোল’ (Hell-hole) বা নিকৃষ্ট দেশ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।


পডকাস্টের আপত্তিকর মন্তব্যসমূহ:
মাইকেল স্যাভেজ তার ‘স্যাভেজ নেশন’ পডকাস্টে দাবি করেন, ভারত ও চীন থেকে আসা অভিবাসীরা কেবল সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আসে। তিনি অভিবাসীদের ‘ল্যাপটপ হাতে গ্যাংস্টার’ বলে কটূক্তি করেন এবং দাবি করেন যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করছে। ট্রাম্প এই পডকাস্টটি শেয়ার করায় বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তিনি পরোক্ষভাবে এই বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করছেন। 

জন্মসূত্রেনাগরিকত্ব ও ট্রাম্পের অবস্থান:

নির্বাহী আদেশ: ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) সীমিত করতে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন।

সংবিধানের চ্যালেঞ্জ:

 যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, দেশটিতে জন্ম নেওয়া প্রায় সব শিশুই নাগরিকত্বের অধিকার পায়। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ সরাসরি সাংবিধানিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক।

ভুল তথ্য সংশোধন: 

ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া আর কোথাও এই সুবিধা নেই। তবে বাস্তবে কানাডা ও মেক্সিকোসহ অন্তত ৩০টিরও বেশি দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষা:

বর্তমানে এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, আদালত যদি তার বিপক্ষে রায় দেয়, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও মর্যাদাহানির কারণ হবে। আদালতের এই রায় অভিবাসন নীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ