Header Ads Widget

Responsive Advertisement

আঞ্চলিক বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত: পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে ইরানে পণ্য পরিবহনের অনুমতি



আঞ্চলিক বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত: পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে ইরানে পণ্য পরিবহনের অনুমতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এখন থেকে পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশের পণ্য ইরানে পরিবহন করা যাবে। এ লক্ষ্যে পাকিস্তান সরকার ‘ট্রানজিট অব গুডস অর্ডার ২০২৬’ জারি করেছে, যা ইতিমধ্যে কার্যকর হয়েছে।

আদেশের আইনি ভিত্তি

এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫০ এবং ২০০৮ সালের ‘পাকিস্তান-ইরান সড়কপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন চুক্তি’র আলোকে এই নতুন ট্রানজিট আদেশটি জারি করা হয়েছে।

নির্ধারিত রুট ও করিডোর

তৃতীয় দেশ থেকে ইরানগামী পণ্য পরিবহনের জন্য পাকিস্তান বেশ কিছু নির্দিষ্ট করিডোর নির্ধারণ করে দিয়েছে। ট্রানজিট পণ্য পরিবহনের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হবে:

  • গোয়াদার

  • করাচি

  • তাফতান

ট্রানজিট ও ক্রস-স্টাফিংয়ের সংজ্ঞা

প্রজ্ঞাপনে ‘ট্রানজিট’ বলতে এমন পণ্যকে বোঝানো হয়েছে যা পাকিস্তানের বাইরে থেকে আসবে এবং অন্য দেশে গিয়ে শেষ হবে। এছাড়া ‘ক্রস-স্টাফিং’ বলতে কাস্টমস নিয়ম অনুযায়ী এক কনটেইনার বা পরিবহন মাধ্যম থেকে অন্যটিতে পণ্য স্থানান্তর করাকে বোঝানো হয়েছে।

নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কঠোর সুরক্ষা ও আইনি কাঠামো নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান সরকার:

  • কাস্টমস আইন: ট্রানজিট পণ্য পরিবহন কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।

  • আর্থিক গ্যারান্টি: প্রতিটি চালানের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে আর্থিক গ্যারান্টি প্রদান করতে হবে।

বাণিজ্যিক গুরুত্ব

পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পাকিস্তানের ভূমিকা আরও জোরদার হবে। এটি কেবল পাকিস্তানের রাজস্ব বৃদ্ধি করবে না, বরং মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা পালন করবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ