📢 প্রতিদিনের খেলার সূচি ও লেটেস্ট খেলার খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 চাকরির নিয়োগ, পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষার ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার কমে ৬২.২৫%, জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ------ || ------ 📢 খেলা||- ফুটবল-- আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। ------ || ------ 📢 হরমুজ প্রণালি কবে খুলবে, অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল বিশ্ববাজারে তেলের দাম।

সিনেমা ভালো না লাগলে মুখেই ফুটে ওঠে’: অন্যদের টেস্ট স্ক্রিনিং এড়িয়ে চলেন আমির খান

  

‘মিথ্যা বলতে পারি না, সিনেমা ভালো না লাগলে মুখেই ফুটে ওঠে’: অন্যদের টেস্ট স্ক্রিনিং এড়িয়ে চলেন আমির খান

‘মিথ্যা বলতে পারি না, সিনেমা ভালো না লাগলে মুখেই ফুটে ওঠে’: অন্যদের টেস্ট স্ক্রিনিং এড়িয়ে চলেন আমির খান

বিনোদন ডেস্ক, পকেট নিউজ | ১৯ মে, ২০২৬

বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ হিসেবে পরিচিত আমির খান। তাঁর এই তকমা কেবল অভিনয়ের দক্ষতায় আসেনি, বরং পেশাদারিত্ব, কাজের মান নিয়ে আপসহীন মনোভাব এবং আত্মসমালোচনার জন্য তিনি অনন্য। সম্প্রতি এক মাস্টারক্লাসে আমির খান এমন এক তথ্য ফাঁস করেছেন, যা বলিউডের প্রচলিত রীতির বাইরে। তিনি জানিয়েছেন, অন্য নির্মাতাদের আমন্ত্রণে কোনো সিনেমার ‘টেস্ট স্ক্রিনিং’-এ যেতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।

কেন স্ক্রিনিং এড়িয়ে চলেন আমির?

হলিউডের আদলে বলিউডেও এখন সিনেমা মুক্তির আগে ‘টেস্ট স্ক্রিনিং’ (নির্বাচিত দর্শকের সামনে ছবি প্রদর্শন) খুব জনপ্রিয়। কিন্তু আমির খানের ভাষ্যমতে, তিনি এই পদ্ধতিতে যেতে চান না কারণ, তিনি মিথ্যে বলতে পারেন না। মাস্টারক্লাসে আমিরের অকপট স্বীকারোক্তি:

“কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে সিনেমা কেমন লাগল, আর ছবিটি যদি খারাপ হয়, তবে আমি হয়তো বলে ফেলব—‘খুব বাজে ছিল, আমি বিরক্ত হয়ে গেছি’। আমি অভিনয় করতে পারি না, আমার মুখ দেখেই মানুষ বুঝে যাবে আমার আসল প্রতিক্রিয়া।”

 

নিজের সিনেমার ক্ষেত্রে ভিন্ন আমির

অন্যের সিনেমা নিয়ে এতটা কড়াকড়ি থাকলেও, নিজের সিনেমার ক্ষেত্রে আমির খান বরাবরই এই পদ্ধতির বড় সমর্থক। ১৯৮৮ সালে তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ থেকেই তিনি টেস্ট স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করেন।

নিজের সিনেমার খুঁত বের করতে আমির কতটা আপসহীন, তার প্রমাণ মেলে সাম্প্রতিক এক তথ্য থেকে। শোনা গেছে, কৌতুকধর্মী একটি ছবির চিত্রনাট্য ও নির্মাণ নিখুঁত করতে তিনি ২০টিরও বেশি ‘ফোকাস স্ক্রিনিং’ করিয়েছিলেন। দর্শকের প্রতিটি ছোট ছোট প্রতিক্রিয়া ও অনুভূতির প্রতি তাঁর যে গভীর মনোযোগ, তা তাঁর দীর্ঘদিনের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

সিনেমার চেয়ে বইয়েই বেশি আগ্রহ

মাস্টারক্লাসে আমির আরও জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি খুব কম সিনেমা দেখেন। বরং সিনেমার চেয়ে বই পড়তে তিনি বেশি পছন্দ করেন। নিজেকে চলচ্চিত্র বা অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত রাখলেও, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সিনেমার জগত থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখতেই ভালোবাসেন।

আমির খানের এই স্বচ্ছতা ও সততা বলিউডের চাকচিক্যময় জগতে এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ। কাজের বেলায় কঠোর পরিশ্রম আর ব্যক্তিগত জীবনে স্পষ্টভাষী—এই দুইয়ের সমন্বয়েই আজও তিনি বলিউডের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’।

পকেট নিউজ — হাতের মুঠোয় সকল খবর। www.pocketnews.online

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ