Header Ads Widget

Responsive Advertisement

চার্জ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও! প্রযুক্তির নতুন যুগে ‘ত্রিওনদা

 

চার্জ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও! প্রযুক্তির নতুন যুগে ‘ত্রিওনদা’

স্পোর্টস ডেস্ক | পকেট নিউজ

ফুটবল মানেই আবেগ, গতি আর গোলের উন্মাদনা। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবল শুধু মাঠের খেলাই নয়, হয়ে উঠছে প্রযুক্তিরও এক বিস্ময়। কারণ এবারের বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ম্যাচ বল ‘ত্রিওনদা’ শুধু একটি সাধারণ ফুটবল নয়—এটি কার্যত এক ধরনের স্মার্ট ডিভাইস, যাকে সচল রাখতে নিয়মিত চার্জও দিতে হবে।

চার্জ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও! প্রযুক্তির নতুন যুগে ‘ত্রিওনদা’

চার্জ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও! প্রযুক্তির নতুন যুগে ‘ত্রিওনদা’

চার্জ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও! প্রযুক্তির নতুন যুগে ‘ত্রিওনদা’

চার্জ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও! প্রযুক্তির নতুন যুগে ‘ত্রিওনদা’

চার্জ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও! প্রযুক্তির নতুন যুগে ‘ত্রিওনদা’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য 2026 FIFA World Cup-এ ব্যবহৃত হবে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বল। ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা Adidas বলটির ভেতরে যুক্ত করেছে বিশেষ মোশন সেন্সর প্রযুক্তি, যা রেফারিং ও ম্যাচ বিশ্লেষণে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

বলের ভেতরে ‘মিনি কম্পিউটার’

‘ত্রিওনদা’র কেন্দ্রে বসানো হয়েছে ৫০০ হার্টজ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সেন্সর চিপ। এই সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। ফলে বলের গতি, ঘূর্ণন, দিক পরিবর্তন কিংবা খেলোয়াড়ের স্পর্শ—সবকিছুই মুহূর্তের মধ্যে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে।

মাত্র ১৪ গ্রাম ওজনের এই চিপ এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে যাতে বলের ভারসাম্য নষ্ট না হয়। ফলে খেলোয়াড়রা শট নেওয়া, পাস দেওয়া বা ড্রিবলিংয়ের সময় কোনো পার্থক্য অনুভব করবেন না।

কেন চার্জ দিতে হবে?

স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে বলটি চালু রাখতে প্রয়োজন হবে বিদ্যুৎশক্তির। একবার পূর্ণ চার্জ দিলে ‘ত্রিওনদা’ টানা প্রায় ছয় ঘণ্টা কার্যকর থাকবে, যা একটি পূর্ণ ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার জন্য যথেষ্ট।

ম্যাচ শুরুর আগে রেফারিদের নিশ্চিত করতে হবে বলের চার্জ পর্যাপ্ত আছে কি না। অর্থাৎ ভবিষ্যতের ফুটবলে শুধু খেলোয়াড়দের ফিটনেস নয়, বলের ব্যাটারিও হয়ে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অফসাইড ধরবে মুহূর্তেই

এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা পাওয়া যাবে অফসাইড সিদ্ধান্তে। কোন মুহূর্তে বলটি পাস করা হয়েছে, তা মানুষের চোখে ধরা কঠিন হলেও ‘ত্রিওনদা’র সেন্সর সেকেন্ডের ক্ষুদ্রতম সময়ের ব্যবধানে সেই তথ্য শনাক্ত করতে পারবে।

এ ছাড়া হ্যান্ডবল, ফাউল কিংবা বিতর্কিত টাচের ক্ষেত্রেও রেফারিদের সহায়তা করবে এই স্মার্ট বল। ফলে ভুল সিদ্ধান্ত কমে আসবে এবং ম্যাচ পরিচালনায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

প্রযুক্তিনির্ভর ফুটবলের নতুন অধ্যায়

ফুটবলে প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নয়। VAR, গোললাইন প্রযুক্তি কিংবা সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেমের পর এবার স্মার্ট বল প্রযুক্তি খেলাটিকে আরও আধুনিক করে তুলছে। ‘ত্রিওনদা’ সেই পরিবর্তনেরই সর্বশেষ উদাহরণ।

বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতের ফুটবলে প্রযুক্তি ও ডেটা বিশ্লেষণ আরও বড় ভূমিকা রাখবে, আর ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে সেই নতুন যুগের সবচেয়ে বড় মঞ্চ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ