Header Ads Widget

Responsive Advertisement
📢 প্রতিদিনের খেলার সূচি ও লেটেস্ট খেলার খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 চাকরির নিয়োগ, পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষার ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 হরমুজে আটকে থাকা ১১ হাজার নাবিককে সরাতে আইএমওর অভিযান শুরু ------ || ------ 📢 বিশ্বকাপ ফুটবল (শেষ ৩২)-- যুক্তরাষ্ট্র বনাম বসনিয়া সময়: সকাল ৬:০০টা, স্পেন বনাম অস্ট্রিয়া সময়: রাত ১:০০টা, পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া সময়: আগামীকাল (৩ জুলাই) ভোর ৫:০০টা, সম্প্রচার: বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময় টিভি। ------ || ------ 📢 ঢাকায় অপরাধের লাগাম টানতে হিমশিম প্রশাসন, সক্রিয় ১১৭ অপরাধী চক্র; প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রাথমিকের প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলল

 

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রাথমিকের প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলল

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রাথমিকের প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলল

নিজস্ব প্রতিবেদক, পকেট নিউজ | ২ জুলাই ২০২৬

দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে সরকার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়নের কার্যক্রম পরিচালনার পূর্ণ আইনি ভিত্তি ফিরে পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি-সংক্রান্ত বিধির অংশবিশেষ অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করেন।

রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের জানান, আপিল বিভাগের এ রায় সরকারের পক্ষে এবং রাষ্ট্রের পক্ষে এসেছে। ফলে হাইকোর্টের পূর্ববর্তী রায়ের আর কোনো কার্যকারিতা থাকছে না।

তিনি বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা বহাল থাকবে এবং জাতীয়করণ হওয়া বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে আসা শিক্ষকদের অবস্থান পরবর্তী ধাপে থাকবে। আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে সেই নীতিই চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দীর্ঘদিনের নিয়োগ জটিলতার অবসান

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, চলমান আইনি জটিলতার কারণে সারা দেশে প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। অনেক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও নিয়মিত নিয়োগ, বদলি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল।

তিনি বলেন, আপিল বিভাগের রায়ের ফলে এখন সরকার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, পদায়ন ও বদলির কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে পারবে। এতে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও কার্যকারিতা আরও শক্তিশালী হবে।

যে আইনি বিরোধ থেকে মামলার সূত্রপাত

আইনজীবীদের তথ্যমতে, ২০১৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এর আগে জাতীয়করণের লক্ষ্যে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচন করে সরকার সেগুলো পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ করে।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালে জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক বিধিমালার ৯(১) বিধির জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি-সংক্রান্ত অংশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট ওই বিধির অংশবিশেষকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করেন।

এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের অনুমতি চাইলে ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে এবং হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপক্ষ এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পক্ষ থেকেও পৃথক আপিল করা হয়।

সব পক্ষের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে হাইকোর্টের রায় বাতিল করেন।

শিক্ষা প্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাবের আশা

শিক্ষা প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক সংকটে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলে বিদ্যালয় পরিচালনা, একাডেমিক তদারকি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতেও এ রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিয়মিত সকল খবরের আপডেট পেতে পকেট নিউজ এর সাথে থাকুন। পকেট নিউজ — হাতের মুঠোয় সকল খবর। www.pocketnews.online

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ