📢 প্রতিদিনের খেলার সূচি ও লেটেস্ট খেলার খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 চাকরির নিয়োগ, পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষার ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার কমে ৬২.২৫%, জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ------ || ------ 📢 খেলা||-ক্রিকেট--অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, ৯ উইকেটে হারিয়ে নতুন ইতিহাস। ------ || ------ 📢 ‘মুসলিম ন্যাটো’ নাকি নতুন নিরাপত্তা কাঠামো? মক্কা চুক্তিতে বদলাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ।

মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক, বিনা খরচে সুযোগ আরও ১০ হাজারের

 

মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক, বিনা খরচে সুযোগ আরও ১০ হাজারের

মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক, বিনা খরচে সুযোগ আরও ১০ হাজারের

নিজস্ব প্রতিবেদক,পকেট নিউজ| ৩০ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের জন্য আবারও খুলতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষদিকে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রাথমিকভাবে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর বাইরে আরও ১০ হাজার শ্রমিক সম্পূর্ণ বিনা খরচে দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা বিন ওসমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রমবাজারসহ দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি জানান, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দেখছে। মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারও বৈঠকে এ বিষয়ে তাঁদের অবহিত করেছেন।

২ লাখ শ্রমিক পাঠানোর প্রস্তুতি

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরেই দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। তবে বিভিন্ন সময়ে শ্রমবাজার খোলা, বন্ধ, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং অভিবাসন ব্যয় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

নতুন উদ্যোগে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ শ্রমিক পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ১০ হাজার শ্রমিককে কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে শ্রমিকদের ক্ষেত্রে নিয়োগের সঠিক পদ্ধতি, কোম্পানির তালিকা, কর্মসংস্থানের খাত, বেতন, অভিবাসন ব্যয় এবং কারা বিনা খরচে যাওয়ার সুযোগ পাবেন—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী কার্যক্রমের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, কম অভিবাসন ব্যয়, নির্ধারিত বেতন নিশ্চিত করা এবং দালালচক্র নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তা না হলে বড় শ্রমবাজার খোলার সুফল শ্রমিকের পরিবর্তে মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

রাবারাইজড বিটুমিনে মালয়েশিয়ার কারিগরি সহায়তা

শ্রমবাজারের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নেও বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে মালয়েশিয়া।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, পলিমার মডিফাইড বিটুমিন বা রাবারাইজড বিটুমিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে কারিগরি সহযোগিতা দেবে মালয়েশিয়া। সড়ক নির্মাণ ও কার্পেটিংয়ের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

বাংলাদেশে বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মালয়েশিয়ায় তুলনামূলক বেশি বৃষ্টিপাত হলেও সড়কের স্থায়িত্ব ভালো থাকার পেছনে রাবারযুক্ত বিটুমিন ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন প্রতিমন্ত্রী।

তাঁর দাবি, মালয়েশিয়া থেকে রাবারাইজড বিটুমিন এনে ২০০৫ সালে বগুড়া সদরে প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পরও ওই সড়ক ভালো থাকার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমে বর্ষাকালে ক্ষতি কমাতে অন্তত ২০ শতাংশ সড়কে রাবারাইজড বিটুমিন ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ভবিষ্যতে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণেও মালয়েশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতেও মালয়েশিয়ার বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, মালয়েশিয়া বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি), সৌর প্যানেল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও হালাল খাদ্যসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। সব মিলিয়ে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তুতি চলছে বলে হাইকমিশনার তাঁদের জানিয়েছেন।

এ ধরনের বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে নতুন শিল্প, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহনের মতো উদীয়মান খাতে বিদেশি বিনিয়োগ দেশের ভবিষ্যৎ শিল্প কাঠামোকে প্রভাবিত করতে পারে।

তবে প্রস্তাবিত বিনিয়োগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রকল্পের ধরন, অর্থায়ন কাঠামো, জমি, নীতিগত অনুমোদন এবং বিনিয়োগের সময়সূচি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা

বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশের ই-রিকশা নিয়েও সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ই-রিকশা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে এখন থেকে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বা জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন এবং ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না।

ই-রিকশার নিবন্ধন দেবে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা। একই সঙ্গে মূল সড়কে ই-রিকশা চলাচল বন্ধ রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সরকারের প্রস্তাবিত নীতিমালা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের পর দ্রুত নীতিমালা জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

ই-রিকশার উৎপাদনেও আসছে নিয়ন্ত্রণ

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুমোদন ও মাননিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ই-রিকশা তৈরি হচ্ছে—এমন অভিযোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে আনা হবে।

বুয়েটের নকশা অনুযায়ী ই-রিকশা উৎপাদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোকে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার লাইসেন্স নিতে হবে এবং নিবন্ধিত কোম্পানি হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এ উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়; বরং ই-রিকশার নিরাপত্তা, নির্মাণমান ও সড়কে চলাচলের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা।

ঢাকায় ই-রিকশার জন্য ৮ জোন

ঢাকার ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে একটি জোনভিত্তিক ব্যবস্থার প্রস্তাবও রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট আটটি জোন করা হতে পারে। প্রতিটি জোনের জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে। একটি জোনের অনুমোদিত ই-রিকশা যাতে অন্য জোনে প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কোন ই-রিকশা কোন রুটে চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়ে নির্ধারণ করা হবে।

এ ধরনের ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সড়কে ই-রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল কমানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট এলাকায় যানবাহন ব্যবস্থাপনা সহজ হতে পারে। তবে জোনভিত্তিক ব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে নিবন্ধন, নজরদারি ও আইন প্রয়োগে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে।

ঢাকায় কোন ই-রিকশা চলবে?

প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, গ্রামীণ এলাকা ও জেলা শহরের গ্রামীণ সড়কে চার ও ছয় যাত্রীর ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।

অন্যদিকে ঢাকা শহরে শুধু দুই ও চার যাত্রীর ই-রিকশা নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এসব যানবাহন অবশ্যই বুয়েট বা অনুমোদিত প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়িত নকশা অনুযায়ী তৈরি হতে হবে।

অর্থাৎ রাজধানীতে ই-রিকশার আকার, যাত্রী ধারণক্ষমতা, উৎপাদনমান ও চলাচলের এলাকা—সবকিছুই নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

সৌরবিদ্যুতে ই-রিকশা চার্জের পরিকল্পনা

ই-রিকশার চার্জিং ব্যবস্থাকেও পরিবেশবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, যেসব পয়েন্ট বা গ্যারেজে ই-রিকশা চার্জ দেওয়া হবে, সেখানে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।

ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে ই-রিকশার চার্জিং পয়েন্টগুলোকেও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে লাইসেন্স নিতে হবে।

এতে অনিয়ন্ত্রিত চার্জিং স্টেশন কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর নজরদারি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শ্রমবাজার, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি—তিন ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনা

মালয়েশিয়ার সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র সামনে এসেছে—শ্রমবাজার, বিদেশি বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা।

একদিকে ২ লাখ শ্রমিকের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। অন্যদিকে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং সড়ক নির্মাণ প্রযুক্তিতে কারিগরি সহযোগিতার আলোচনা হয়েছে।

একই সঙ্গে ইলেকট্রিক যানবাহন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো ভবিষ্যৎমুখী খাতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগের আগ্রহ বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

তবে এসব উদ্যোগের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতার ওপর। বিশেষ করে শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে দালালমুক্ত ও কম খরচের নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং নতুন প্রযুক্তির যথাযথ মাননিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

সব মিলিয়ে, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন সহযোগিতার এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে একদিকে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায়ও নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

আরো পড়ুন
পোস্ট লোড হচ্ছে...

নিয়মিত সকল খবরের আপডেট পেতে পকেট নিউজ এর সাথে থাকুন। পকেট নিউজ — হাতের মুঠোয় সকল খবর। www.pocketnews.online

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ