এআই ক্যামেরায় মোটরসাইকেল শনাক্তে সামনে নম্বর প্লেট, সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা প্রশ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক | পকেট নিউজ
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল শনাক্ত ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে মোটরসাইকেলের সামনের অংশেও নম্বর প্লেট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ঢাকার বিভিন্ন সড়কে ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক ক্যামেরার মাধ্যমে মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নম্বর সহজে শনাক্ত করা। তবে বর্তমানে চলাচল করা অধিকাংশ মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট বসানোর নির্দিষ্ট কাঠামো না থাকায় উদ্যোগটি বাস্তবায়নে প্রযুক্তিগত, প্রকৌশলগত ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করছেন, শুধু সামনে নম্বর প্লেট যুক্ত করলেই এআই ক্যামেরায় মোটরসাইকেল শনাক্তের সমস্যার পূর্ণ সমাধান হবে না। বরং দীর্ঘমেয়াদে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা আরএফআইডি প্রযুক্তির মতো বিকল্প ব্যবস্থাও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
কেন সামনে নম্বর প্লেট বসানোর উদ্যোগ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গত ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বর প্লেট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিএমপি ও বিআরটিএকে।
এর পেছনে অন্যতম কারণ ঢাকার সড়কে এআইভিত্তিক ক্যামেরার ব্যবহার বৃদ্ধি। গত ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন মোড়ে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত ও স্বয়ংক্রিয় মামলা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।
বর্তমানে ক্যামেরার মাধ্যমে কোনো গাড়ি আইন লঙ্ঘন করলে তার নম্বর শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট মালিকের নামে ডিজিটালভাবে মামলা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু মোটরসাইকেলের পেছনের নম্বর প্লেট অনেক সময় ক্যামেরার দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকে। বিশেষ করে যানজট, পাশাপাশি চলাচল কিংবা বিভিন্ন কোণে থাকা মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে শুধু পেছনের নম্বর প্লেটের ওপর নির্ভর করে শনাক্তকরণ কঠিন হতে পারে।
এই সীমাবদ্ধতা কাটাতেই সামনে নম্বর প্লেট বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সাত সদস্যের কমিটি, যাচাই হবে আকার ও অবস্থান
বিআরটিএ গত ১৩ আগস্ট সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট বসানোর সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করে মতামত দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির কাজের মধ্যে রয়েছে—
সামনের নম্বর প্লেটের উপযুক্ত আকার নির্ধারণ;
মোটরসাইকেলের কোন স্থানে প্লেট বসানো হবে তা নির্ধারণ;
এআই ক্যামেরায় নম্বরটি স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব কি না যাচাই;
মোটরসাইকেলের কাঠামোর ওপর এর প্রভাব পরীক্ষা;
প্লেট সংযোজনের ক্ষেত্রে প্রকৌশলগত সমস্যা চিহ্নিত করা।
কমিটিতে বিআরটিএ, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট, মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং আমদানিকারকদের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।
অর্থাৎ সিদ্ধান্তটি শুধু প্রশাসনিকভাবে নেওয়া হচ্ছে না; এর সঙ্গে মোটরসাইকেলের নকশা, প্রকৌশল এবং সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান মোটরসাইকেলে বড় চ্যালেঞ্জ
দেশে বর্তমানে ব্যবহৃত অনেক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট বসানোর জন্য কারখানাগতভাবে নির্ধারিত কোনো জায়গা নেই। ফলে পুরোনো ও বর্তমানে বাজারে থাকা মডেলগুলোতে নম্বর প্লেট বসাতে হলে আলাদাভাবে কাঠামোগত পরিবর্তন করতে হতে পারে।
এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—নম্বর প্লেটটি কোথায় বসানো হবে?
হেডলাইটের নিচে প্লেট বসালে সেটি চালকের দৃষ্টিতে বা মোটরসাইকেলের সামনের কাঠামোয় সমস্যা তৈরি করতে পারে। আবার রেডিয়েটর বা ইঞ্জিনের সামনে বসানো হলে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মোটরসাইকেল শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মতে, বেশি গতিতে চলার সময় সামনের অংশে অতিরিক্ত কোনো কাঠামো যুক্ত হলে বায়ুপ্রবাহের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। এতে মোটরসাইকেলের স্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকায় বিষয়টি প্রকৌশলগতভাবে পরীক্ষা করা জরুরি।
উত্তরা মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ মোটরসাইকেল অ্যাসেম্বলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মতিউর রহমান জানিয়েছেন, তাঁদের সামনে ও পেছনে দুটি নম্বর প্লেট বসানোর কথা বলা হয়েছে। তবে প্লেটের আকার বা সাইজ সম্পর্কে এখনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
দেশে প্রায় ৫০ লাখ নিবন্ধিত মোটরসাইকেল
বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৯ লাখ ৯৭ হাজার ৭০টি। প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ নতুন মোটরসাইকেল বিক্রি হয়।
এই বিশাল সংখ্যক মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন করা হলে সেটি শুধু নতুন মোটরসাইকেলের জন্য প্রযোজ্য হবে, নাকি ইতিমধ্যে রাস্তায় চলাচল করা সব মোটরসাইকেলেও সামনে নম্বর প্লেট বসাতে হবে—এ বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
আরও একটি বাস্তব সমস্যা রয়েছে। দেশে অনেক মোটরসাইকেল এখনো নিবন্ধনবিহীন অবস্থায় চলাচল করে। আবার নিবন্ধিত অনেক মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট ভাঙা, ক্ষতিগ্রস্ত বা এমনভাবে স্থাপন করা থাকে যে সহজে নম্বর পড়া যায় না।
কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবেও নম্বর প্লেট বাঁকা করে রাখেন, কাপড় বা বিভিন্ন বস্তু দিয়ে আংশিক ঢেকে রাখেন। ফলে শুধু সামনে আরেকটি প্লেট যুক্ত করলেই আইন লঙ্ঘনকারীদের শনাক্ত করা নিশ্চিত হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
এআই ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ছে
ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর অংশ হিসেবেই এআই ক্যামেরার ব্যবহার শুরু হয়েছে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বর্তমানে পিটিজেড ক্যামেরা ব্যবহার করছে। এই ক্যামেরা ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে পারে এবং চলন্ত বস্তু শনাক্ত ও অনুসরণ করতে সক্ষম।
এআইভিত্তিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করা হচ্ছে। এরপর সংশ্লিষ্ট গাড়ির নিবন্ধন নম্বরের ভিত্তিতে মালিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল মামলা করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এই ব্যবস্থায় মোটরসাইকেলের সামনের নম্বর প্লেট যুক্ত হলে বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেল শনাক্ত করা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। তবে ক্যামেরার দৃষ্টিসীমা, যানজট, আলো-আঁধারি, নম্বর প্লেটের আকার ও অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয় এর কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
শুধু নম্বর প্লেটেই কি সমাধান?
এই জায়গাতেই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হকের মতে, শুধু সামনে নম্বর প্লেট বসানোর উদ্যোগ নিলেই ক্যামেরার সীমাবদ্ধতা দূর হবে না। বিশেষ করে ঘন যানজটে একটি মোটরসাইকেল অন্য গাড়ির আড়ালে থাকলে সামনে নম্বর প্লেট থাকলেও ক্যামেরার মাধ্যমে সেটি শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে।
তাঁর মতে, গাড়ি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা RFID প্রযুক্তি আরও কার্যকর বিকল্প হতে পারে।
আরএফআইডিতে গাড়ির সঙ্গে একটি বিশেষ ট্যাগ যুক্ত থাকে। ওই ট্যাগের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় নম্বর থাকে, যা গাড়ির নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে যুক্ত করা যায়।
সড়কের পাশে বা নির্দিষ্ট স্থানে থাকা RFID রিডার গাড়িটি কাছাকাছি এলে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ট্যাগ শনাক্ত করে। ফলে ক্যামেরার মতো দৃশ্যমানভাবে নম্বর পড়ার প্রয়োজন হয় না।
বাংলাদেশে RFID ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও আছে
RFID বাংলাদেশের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তি নয়। ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতুতে টোল আদায়ের কাজে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
অধ্যাপক সামছুল হকের যুক্তি, বর্তমানে গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে RFID ট্যাগ থাকলেও সরকারি সংস্থাগুলোর পর্যাপ্ত রিডার না থাকায় সেটি কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
নম্বর প্লেট কাপড়, ব্যাগ কিংবা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে ঢেকে রাখা সম্ভব। কিন্তু রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে শনাক্তকরণ ব্যবস্থাকে এভাবে সহজে আড়াল করা যায় না। তাই ভবিষ্যতে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় RFID একটি কার্যকর অবকাঠামো হতে পারে।
সামনে নম্বর প্লেটের পাশাপাশি আরও কিছু দরকার
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট বসানোর উদ্যোগকে পুরোপুরি অকার্যকর বলা যাচ্ছে না। এআই ক্যামেরার মাধ্যমে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি একটি অতিরিক্ত শনাক্তকরণ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করতে পারে।
তবে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য শুধু নম্বর প্লেটের ওপর নির্ভর করলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও আসতে পারে। বিশেষ করে—
প্রথমত, নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল শনাক্ত করতে আলাদা ব্যবস্থা প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, ইচ্ছাকৃতভাবে নম্বর প্লেট ঢেকে বা বিকৃত করে চলাচল বন্ধে কঠোর নজরদারি দরকার।
তৃতীয়ত, নতুন নিয়ম চালুর আগে পুরোনো মোটরসাইকেলগুলোর ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করতে হবে।
চতুর্থত, নম্বর প্লেট এমনভাবে বসাতে হবে যাতে মোটরসাইকেলের ভারসাম্য, চালকের নিরাপত্তা, বায়ুপ্রবাহ ও ইঞ্জিনের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।
পঞ্চমত, ক্যামেরাভিত্তিক শনাক্তকরণের পাশাপাশি RFID বা অন্য আধুনিক যান শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ধীরে ধীরে চালু করা যেতে পারে।
সিদ্ধান্তের আগে নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার
ট্রাফিক আইন প্রয়োগ আরও কঠোর ও প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দ্বিমত নেই। ঢাকার সড়কে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক সংকেত অমান্য, ভুল পথে চলাচল কিংবা অন্যান্য আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে আইন প্রয়োগের প্রযুক্তি বসাতে গিয়ে যদি যানটির নিরাপত্তা বা প্রকৌশলগত ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে সেটি নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই বিআরটিএর সাত সদস্যের কমিটির কারিগরি মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সবদিক বিবেচনায় মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট বসানোর উদ্যোগ স্বল্পমেয়াদে এআই ক্যামেরার শনাক্তকরণ ক্ষমতা বাড়ানোর একটি উপায় হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ নগরে স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে নম্বর প্লেটের পাশাপাশি RFID, উন্নত এআই, কেন্দ্রীয় যানবাহন ডেটাবেস এবং স্বয়ংক্রিয় আইন প্রয়োগ—এই প্রযুক্তিগুলোর সমন্বিত ব্যবহারই বেশি কার্যকর হতে পারে।
সরকারের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ শুধু ‘সামনে নম্বর প্লেট বসানো’ নয়; বরং এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে আইন লঙ্ঘনকারীকে নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা যাবে, আবার সেই প্রযুক্তি ব্যবহারে মোটরসাইকেল চালকের নিরাপত্তাও কোনোভাবেই ঝুঁকির মুখে পড়বে না।


0 মন্তব্যসমূহ