ইয়াবা পাচার ঠেকাতে সীমান্ত থেকে শহর পর্যন্ত ১১ স্থানে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি বসানোর প্রস্তাব
নিজস্ব প্রতিবেদক, পকেট নিউজ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা প্রবেশের পর তা পাহাড়ি পথ, পুরোনো সড়ক ও বিকল্প যোগাযোগপথ ব্যবহার করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান এবং বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দের পরও পাচার পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় এবার সীমান্ত থেকে শহর পর্যন্ত মাদক পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোকে নজরদারির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কক্সবাজার ও বান্দরবানের গুরুত্বপূর্ণ ১১টি স্থানে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি বসানোর প্রস্তাব করেছে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ। প্রস্তাবিত এসব চৌকিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরা, মাদক শনাক্তকারী কুকুরের দল, গাড়ি ও লাগেজ স্ক্যানার ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তল্লাশিচৌকিগুলো পরিচালনার জন্য পুলিশের ৩২১ জন সদস্য চাওয়া হয়েছে। যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও অন্যান্য সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে। গত ২৭ জুলাই পুলিশের সদর দপ্তরে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠানো হয়।
সীমান্তে জব্দ হচ্ছে বিপুল ইয়াবা, তবু থামছে না পাচার
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী, সমুদ্রপথ এবং সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে ঢোকে বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িকে ইয়াবা প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
২০২৫ সাল থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করেছে। এই সময়ে বিজিবি ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৪৫টি ইয়াবা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১টি ইয়াবা জব্দ করেছে।
এত বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দের পরও পাচার বন্ধ না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। পুলিশের ধারণা, সীমান্তে চালান আটকালেও পাচারকারীরা বিকল্প পথ ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে শুধু সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপুলিশ পরিদর্শক মো. নাজিমুল হক কক্সবাজার ও বান্দরবানের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রস্তাবটি তৈরি করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কোনোভাবেই ইয়াবা বাংলাদেশে ঢুকতে না দেওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সীমান্ত পার হওয়ার পরও তৈরি হবে নজরদারির বলয়
পুলিশের প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো সীমান্ত থেকে শহর পর্যন্ত ইয়াবা পরিবহনের সম্ভাব্য পথগুলো শনাক্ত করে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি বসানো। কারণ, সীমান্ত পার হওয়ার পর পাচারকারীরা অনেক সময় প্রধান সড়ক এড়িয়ে পাহাড়ি পথ, পুরোনো সড়ক কিংবা স্থানীয় বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করে।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় কক্সবাজারের রামু, সদর, উখিয়া ও চকরিয়ার সাতটি এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির চারটি স্থানকে তল্লাশিচৌকির জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে রামুর রাংকুট বৌদ্ধবিহার ও পনেরো ছড়া ফরেস্ট অফিস এলাকা, কক্সবাজারের ভাঙ্গার মোড়, চৌফলদণ্ডী লোহার সেতু ও রেলস্টেশন এলাকা, উখিয়ার কোর্ট বাজার সড়ক এবং চকরিয়ার হারবাং সড়ক। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে রয়েছে বেইলি সেতু, সোনাইছড়ি চৌরাস্তার মোড়, বাইশারী পেটান আলীপাড়া মোড় ও রামুর গর্জনিয়ার ডাকবাংলো মোড়।
এসব স্থানের বেশির ভাগই বিভিন্ন সড়ক, পাহাড়ি পথ ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার সংযোগস্থল। পুলিশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সীমান্ত থেকে মাদক বেরিয়ে মূল সড়কে ওঠার আগেই অথবা শহরমুখী হওয়ার পথে চালান আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি হবে ভাঙ্গার মোড়ে
প্রস্তাবিত ১১টি তল্লাশিচৌকির মধ্যে কক্সবাজারের ভাঙ্গার মোড়কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মেরিন ড্রাইভের শেষ প্রান্তে অবস্থিত এই এলাকা কক্সবাজার শহর ও পর্যটন অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে পরিচিত।
পুলিশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভাঙ্গার মোড়ে বড় ধরনের নজরদারিবলয় তৈরি করা হবে। সেখানে তিন পালায় দায়িত্ব পালনের জন্য ৪২ জন পুলিশ সদস্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিনজন উপপরিদর্শক, তিনজন সহকারী উপপরিদর্শক, ২৯ জন পুরুষ কনস্টেবল ও সাতজন নারী কনস্টেবল থাকার কথা রয়েছে।
এই তল্লাশিচৌকিতে একটি মাদক শনাক্তকারী কুকুরের দল, একটি লাগেজ স্ক্যানার, একটি গাড়ি স্ক্যানার, তিনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা এবং ১৫টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ৫০০ বর্গফুটের একটি আধাপাকা ভবন এবং আরসিসি পার্কিং পেভমেন্ট নির্মাণের জন্য ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ের হিসাব করা হয়েছে। পর্যটন এলাকা ও কক্সবাজার শহরে মাদক প্রবেশের অন্যতম সম্ভাব্য পথ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় ভাঙ্গার মোড়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পুরোনো সড়ক ও পাহাড়ি পথও থাকবে নজরদারিতে
ইয়াবা পাচারকারীরা প্রধান সড়ক এড়িয়ে পুরোনো সড়ক ও পাহাড়ি পথ ব্যবহার করছে বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উখিয়ার পনেরো ছড়া ফরেস্ট অফিস থেকে কাটিয়ার মাথা পর্যন্ত এলাকাকে এ ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পুলিশের ধারণা, টেকনাফ ও উখিয়া থেকে পুরোনো সড়ক ব্যবহার করে ইয়াবা কক্সবাজার শহরের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ কারণে ওই এলাকায় ৩৩ সদস্যের একটি তল্লাশিচৌকি বসানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
রামুর রাংকুট বৌদ্ধবিহার এলাকাকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মরিচ্যা তল্লাশিচৌকি থেকে বিভক্ত সড়ক এবং পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা সম্ভাব্য মাদক পরিবহন ঠেকাতে এই স্থানটি কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।
অন্যদিকে বনাঞ্চলঘেরা দুর্গম পাহাড়ি এলাকার চার রাস্তার সংযোগস্থল হওয়ায় গর্জনিয়ার ডাকবাংলো মোড়কে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে সীমান্তে মাদক প্রবেশের পর সেটি যাতে শহর বা দেশের অন্য অঞ্চলে পৌঁছাতে না পারে, সে জন্য ধারাবাহিক প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে পুলিশ।
নাইক্ষ্যংছড়িতে তিন স্থায়ী তল্লাশিচৌকি
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকাকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি ছোট ছোট রাস্তা দিয়ে মাদক পরিবহনের আশঙ্কায় সেখানে তিনটি স্থায়ী তল্লাশিচৌকি বসানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত স্থানগুলো হলো বেইলি সেতু, সোনাইছড়ি ইউনিয়নের চৌরাস্তার মোড় এবং বাইশারী পেটান আলীপাড়া মোড়। প্রতিটি তল্লাশিচৌকিতে ৩৩ জন করে পুলিশ সদস্য রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানা থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বাইশারী পেটান আলীপাড়া মোড় পাহাড়ি এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। পুলিশের ধারণা, দুর্গম পথ ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের ক্ষেত্রে এই ধরনের স্থানগুলোকে পাচারকারীরা বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
সোনাইছড়ির চৌরাস্তার মোড়ও চারটি সড়কের সংযোগস্থল হওয়ায় নজরদারির জন্য উপযোগী বলে বিবেচিত হয়েছে। সেখানে যানবাহন থামিয়ে পরীক্ষা করা এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা তুলনামূলক সহজ হবে বলে মনে করছে পুলিশ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্যামেরায় শনাক্ত হবে সন্দেহভাজনরা
প্রস্তাবিত তল্লাশিচৌকিগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১১টি চৌকিতে মোট ৩১টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা এবং ১৪০টি সাধারণ সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ইয়াবা কারবারি ও তাঁদের সহযোগীদের ছবি সংরক্ষণ করা থাকবে। তাঁরা কোনো তল্লাশিচৌকির আওতায় এলে ক্যামেরার মাধ্যমে তাঁদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে। এতে পরিচিত মাদক কারবারিদের চলাচল পর্যবেক্ষণ করা এবং তাঁদের নতুন রুট ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ করা সহজ হতে পারে।
প্রস্তাবে ছয়টি গাড়ি স্ক্যানিং মেশিন ও আটটি লাগেজ স্ক্যানার রাখার কথাও বলা হয়েছে। ছয়টি গাড়ি স্ক্যানিং মেশিনের প্রতিটির আনুমানিক দাম ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
আটটি লাগেজ স্ক্যানারের প্রতিটির দাম প্রায় ৪৫ লাখ টাকা হিসেবে হিসাব করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক মুখ শনাক্তকরণ সফটওয়্যারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং ৬৫ ইঞ্চির ২৩টি টেলিভিশনের জন্য ২৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে।
পুলিশের ধারণা, গাড়ি বা লাগেজের ভেতরে লুকিয়ে রাখা মাদক শনাক্ত করতে স্ক্যানারগুলো সহায়ক হবে। কোনো চালান প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা না গেলে প্রশিক্ষিত কুকুরের দল দিয়ে তল্লাশি চালানোর ব্যবস্থা থাকবে।
প্রযুক্তি ব্যবহারে বাড়তে পারে নজরদারির সক্ষমতা
সুশাসনের জন্য নাগরিকের চট্টগ্রাম শাখার সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী মনে করেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান চালানো যথেষ্ট নয়; পাচারের রুট বন্ধ করাও জরুরি। তাঁর মতে, একটি পথ বন্ধ হলে পাচারকারীরা অন্য পথ খুঁজে নেয়। তাই সীমান্ত, পাহাড়ি পথ, বিকল্প সড়ক, রেলপথ এবং শহরে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় থাকলে মাদক পাচার প্রতিরোধে কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব।
তবে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপনের পাশাপাশি এসব চৌকির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষিত জনবল, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এবং নজরদারির তথ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ক্যামেরা বা স্ক্যানার স্থাপন করলেই মাদক পাচার বন্ধ হবে না; সেগুলোর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।
বাস্তবায়নের অপেক্ষায় পুলিশের প্রস্তাব
চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পাঠানো প্রস্তাবটি এখন পুলিশের সদর দপ্তরে বিবেচনাধীন। প্রস্তাবটি কবে অনুমোদিত হবে এবং কবে থেকে তল্লাশিচৌকিগুলোর কার্যক্রম শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সীমান্ত থেকে শহরমুখী ইয়াবা পরিবহনের সম্ভাব্য রুটগুলোতে একাধিক স্থায়ী নজরদারিকেন্দ্র তৈরি হবে। সীমান্তে মাদক ঢোকার পর তা দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই শনাক্ত ও আটক করার চেষ্টা জোরদার হবে।
মাদক পাচার বন্ধে দীর্ঘদিনের অভিযান সত্ত্বেও যে সমস্যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, পুলিশের নতুন এই উদ্যোগ সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে। সীমান্ত পাহারা, বিকল্প পথ শনাক্তকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর তল্লাশির সমন্বিত প্রয়োগ কতটা কার্যকর হয়, তার ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করবে কক্সবাজার ও বান্দরবান হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবার বিস্তার ঠেকানোর সাফল্য।


0 মন্তব্যসমূহ