📢 প্রতিদিনের খেলার সূচি ও লেটেস্ট খেলার খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 চাকরির নিয়োগ, পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষার ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার কমে ৬২.২৫%, জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ------ || ------ 📢 খেলা||- ফুটবল-- আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। ------ || ------ 📢 হরমুজ প্রণালি কবে খুলবে, অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল বিশ্ববাজারে তেলের দাম।

অস্ট্রেলিয়ার ১৫ প্রতিষ্ঠানে চার দিন কর্মসপ্তাহের সফল পরীক্ষা: মিলল ইতিবাচক ফল

 

অস্ট্রেলিয়ার ১৫ প্রতিষ্ঠানে চার দিন কর্মসপ্তাহের সফল পরীক্ষা: মিলল ইতিবাচক ফল

অস্ট্রেলিয়ার ১৫ প্রতিষ্ঠানে চার দিন কর্মসপ্তাহের সফল পরীক্ষা: মিলল ইতিবাচক ফল

নিজস্ব প্রতিবেদক, পকেট নিউজ| ০১ জুন ২০২৬

সপ্তাহে চার দিন অফিস—আধুনিক কর্মপরিবেশের এই আলোচিত ধারণা এখন আর কেবল তত্ত্বে সীমাবদ্ধ নেই। অস্ট্রেলিয়ার ১৫টি প্রতিষ্ঠানে চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালুর পরীক্ষামূলক ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এটি কেবল কর্মীদের মানসিক প্রশান্তিই বাড়ায়নি, বরং উৎপাদনশীলতা বজায় রাখতেও সমান কার্যকর।

'১০০: ৮০: ১০০' মডেলে সাফল্য

গবেষণাটিতে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো '১০০: ৮০: ১০০' মডেল অনুসরণ করেছে। এই মডেল অনুযায়ী, কর্মীরা তাদের আগের মতোই শতভাগ বেতন পান, তবে অফিস করেন কর্মঘণ্টার ৮০ শতাংশ সময়ে। এর বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের কাছ থেকে আগের সমপরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি উৎপাদনশীলতা প্রত্যাশা করে।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস কমিউনিকেশনস-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় ২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফলাফলে দেখা গেছে:

  • প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত: ১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টিই সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর এই চার দিনের কর্মসপ্তাহ স্থায়ীভাবে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • উৎপাদনশীলতার চিত্র: কোনো একটি প্রতিষ্ঠানও উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার কোনো অভিযোগ করেনি। উল্টো ৬টি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • মূল্যায়নের মাপকাঠি: প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব, মুনাফা, সময়মতো প্রকল্প সম্পন্ন করা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো বিশ্লেষণ করেই এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে।

বার্নআউট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ

অস্ট্রেলিয়ার মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থা ‘বিয়ন্ড ব্লু’র ২০২৫ সালের জরিপ অনুযায়ী, দেশটির প্রতি দুজন কর্মীর একজন বার্নআউট বা চরম মানসিক ক্লান্তির ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই সংকট উত্তরণে অনেক প্রতিষ্ঠান এখন চার দিনের কর্মসপ্তাহকে অন্যতম সমাধান হিসেবে দেখছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া স্বাস্থ্য প্রযুক্তি খাতের এক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী জানান, কর্মীদের অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিতি ও মানসিক ক্লান্তি কমানোই ছিল তাদের এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য, যা সফল হয়েছে।

সাবধানী পর্যবেক্ষণ

গবেষকরা এই ফলাফলকে আশাব্যঞ্জক বললেও কিছুটা সতর্কতার সঙ্গে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, অস্ট্রেলিয়ার প্রেক্ষাপটে এই মডেলটি এখনো নতুন এবং গবেষণার পরিধি তুলনামূলক ছোট। এছাড়াও, সাক্ষাৎকার প্রদানকারীদের অনেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, ফলে ফলাফলে কিছুটা পক্ষপাত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তবুও, ছোট ও মাঝারি উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানের এই সফল পরীক্ষা বিশ্বব্যাপী ‘ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স’ বা কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল।

তথ্যসূত্র: দ্য কনভারসেশন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ