ইউনিয়ন পর্যায়ের দোকানেও ভ্যাট, মাসে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা এনবিআরের
অর্থনীতি ডেস্ক, পকেট নিউজ | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটকে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পর্যায়ের দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসে ৫০০ টাকা, উপজেলা পর্যায়ে ১ হাজার টাকা এবং জেলা সদর ও জেলা পৌর শহর এলাকায় ২ হাজার টাকা নির্ধারিত ভ্যাট নেওয়া হতে পারে।
এনবিআরের এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছোট দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও নির্ধারিত হারে নিয়মিত ভ্যাট পরিশোধের আওতায় আসবে। প্রাথমিকভাবে দেশের প্রায় ৩ থেকে ৫ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।
ভ্যাট পরিশোধের প্রক্রিয়াও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা যাতে সহজে ভ্যাট দিতে পারেন, সে জন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভ্যাট আদায়ের ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রান্তিক পর্যায়ে ভ্যাট আদায়ের জন্য আলাদা একটি অ্যাপ চালুর কথাও ভাবছে এনবিআর।
আবারও ফিরছে নির্ধারিত হারে ভ্যাটের ব্যবস্থা
এক দশক আগেও দেশে ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য অনেকটা একই ধরনের প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থা চালু ছিল। ব্যবসার প্রকৃত লেনদেনের পরিমাণ যাই হোক না কেন, নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যবসায়ীদের মাসে একটি নির্ধারিত অঙ্কের ভ্যাট দিতে হতো। এই ব্যবস্থাই পরিচিত ছিল প্যাকেজ ভ্যাট নামে।
২০১৯ সালে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হওয়ার পর প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। এরপর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বা লেনদেনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ভ্যাট নিবন্ধন ও ভ্যাট প্রদানের কাঠামো নির্ধারিত হয়।
তবে বর্তমানে দেশের বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ব্যবসা ভ্যাটের আওতার বাইরে থাকায় আবারও নির্ধারিত অঙ্কের ভ্যাট চালুর পরিকল্পনা করছে এনবিআর। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ব্যবসার আকার ও অবস্থান অনুযায়ী মাসে ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট দিতে হতে পারে।
বাজারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করছে ভ্যাট বিভাগ
নতুন ব্যবস্থার আওতায় কোন কোন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে আনা হবে, তা নির্ধারণের আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজার ও দোকানপাটের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় বাজার, বিপণিবিতান ও দোকানের তালিকা তৈরি করছেন ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তারা।
এসব তালিকায় শুধু দোকানের সংখ্যা নয়, দোকানের ধরন, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে কোন শ্রেণির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ধারিত ভ্যাট আরোপ করা হবে, তা চূড়ান্ত করা হবে।
এনবিআরের সংগ্রহ করা একটি তালিকায় দেশের বিভিন্ন এলাকার বাজারের চিত্রও উঠে এসেছে। যেমন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নুর নাহার প্লাজায় ৫২টি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি রয়েছে এমন দোকানের সংখ্যা চারটি। রংপুর সিটির বেতপট্টি বাজারে দোকানের সংখ্যা ১২১টি। আবার কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার রৌমারী বাজারে রয়েছে ৫০টি দোকান।
এ ধরনের তথ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বাজার থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্ধারিত ভ্যাট আরোপের কাঠামো তৈরি করা হবে।
ইউনিয়ন পর্যায়েও পৌঁছাবে ভ্যাটের আওতা
এনবিআরের পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ভ্যাট ব্যবস্থাকে সম্প্রসারণ করা। এতদিন ভ্যাট ব্যবস্থার আওতায় আসার ক্ষেত্রে ছোট ব্যবসাগুলোর একটি বড় অংশ লেনদেনের সীমার কারণে বাইরে ছিল।
নতুন ব্যবস্থায় ইউনিয়ন পর্যায়ের ছোট দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও নির্দিষ্ট অঙ্কের ভ্যাট দেওয়ার আওতায় আসতে পারে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ইউনিয়ন পর্যায়ে মাসে ৫০০ টাকা, উপজেলা পর্যায়ে ১ হাজার টাকা এবং জেলা সদর ও জেলা পৌর শহর এলাকায় ২ হাজার টাকা ভ্যাট নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তবে কোন ব্যবসার ক্ষেত্রে কোন হার প্রযোজ্য হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।
কেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতায় আনতে চায় এনবিআর?
রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্যাট ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করাই এনবিআরের এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এনবিআরের মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ভ্যাট খাত থেকেই ২ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই বড় লক্ষ্য পূরণে শুধু বড় ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর না করে কর ও ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর দিকে নজর দিচ্ছে এনবিআর। বিশেষ করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট ব্যবস্থার আওতায় আনা গেলে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি কর ব্যবস্থার আওতাও সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
এনবিআর ইতিমধ্যে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এর পাশাপাশি যেসব ছোট ব্যবসা বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বাধ্যতামূলক ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় পড়ে না, তাদের জন্য নির্ধারিত ভ্যাট ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
বর্তমান ভ্যাট আইনে কী আছে?
বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক বিক্রয় বা লেনদেন ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রযোজ্য হয়।
অন্যদিকে যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক বিক্রয় বা লেনদেন ৫০ লাখ টাকার নিচে, তাদের ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়। ফলে দেশের বিপুলসংখ্যক ছোট দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসা ভ্যাট ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে।
এনবিআর মূলত এই জায়গাতেই পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে। ব্যবসার বার্ষিক লেনদেন নির্দিষ্ট সীমার নিচে থাকলেও অবস্থান ও ব্যবসার ধরন অনুযায়ী একটি ন্যূনতম নির্ধারিত ভ্যাট আরোপ করা হলে ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও রাজস্ব ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দেওয়া যাবে ভ্যাট
প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ভ্যাট পরিশোধ সহজ করতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এনবিআর। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্যাট পরিশোধ করতে পারবেন।
এর ফলে ভ্যাট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন কমতে পারে। ব্যবসায়ীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন।
এনবিআর ভবিষ্যতে প্রান্তিক পর্যায়ের ভ্যাট আদায়ের জন্য আলাদা একটি অ্যাপ চালুর কথাও ভাবছে। এটি চালু হলে ছোট ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন, ভ্যাট প্রদান ও হিসাব সংরক্ষণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল সেবা, ইন্টারনেট সুবিধা ও ব্যবসায়ীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতাও নিশ্চিত করতে হবে।
উদ্যোগকে ইতিবাচক বললেও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন
এনবিআরের পরিকল্পনাকে সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া। তবে তাঁর মতে, এই পরিকল্পনার সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে মাঠপর্যায়ে কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তার ওপর।
তিনি মনে করেন, ছোট ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। নতুন ভ্যাট ব্যবস্থা নিয়ে ব্যবসায়ীরা যাতে আতঙ্কিত বা ভীত না হন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
কারণ প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক ব্যবসায়ী হয়তো ভ্যাট ব্যবস্থার নিয়মকানুন সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না। হঠাৎ করে নির্ধারিত হারে ভ্যাট আরোপ করা হলে তাঁদের মধ্যে বাড়তি ব্যয় ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।
কম ভ্যাটে অভ্যস্ত হয়ে গেলে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে
নতুন ব্যবস্থার আরেকটি সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেছেন স্নেহাশীষ বড়ুয়া। তাঁর মতে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যদি দীর্ঘদিন কম পরিমাণের নির্ধারিত ভ্যাট দিয়ে অভ্যস্ত হয়ে যান, তাহলে পরবর্তী সময়ে তাঁদের কাছ থেকে বেশি ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রে অনীহা তৈরি হতে পারে।
অর্থাৎ ন্যূনতম ভ্যাট ব্যবস্থা স্বল্পমেয়াদে রাজস্ব ব্যবস্থাকে সম্প্রসারিত করলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি কীভাবে ব্যবসার প্রকৃত লেনদেনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
তাই শুধু নতুন ব্যবসায়ীকে ভ্যাটের আওতায় আনা নয়, ভবিষ্যতে ব্যবসার আকার ও লেনদেন বাড়লে কীভাবে তাঁদের ভ্যাট কাঠামো পরিবর্তন হবে, সেই বিষয়েও স্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজস্ব বাড়ানোর সঙ্গে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশও জরুরি
দেশের রাজস্ব আয় বাড়ানো সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বড় অঙ্কের উন্নয়ন ব্যয় ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। সেই দিক থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে রাজস্ব ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগের যৌক্তিকতা রয়েছে।
তবে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ওপর নতুন আর্থিক চাপ তৈরি হলে তার প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হবে। ছোট দোকানগুলোর অনেকের ব্যবসার পরিমাণ সীমিত। তাদের জন্য নির্ধারিত ভ্যাটের পরিমাণ ব্যবসার সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে তা ব্যবসা পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
এ কারণে ব্যবসার ধরন, অবস্থান, আকার ও প্রকৃত লেনদেন বিবেচনা করে একটি বাস্তবসম্মত কাঠামো তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে ভ্যাট ব্যবস্থার নিয়ম সহজ ভাষায় ব্যবসায়ীদের বোঝানো এবং হয়রানিমুক্তভাবে তা বাস্তবায়ন করাও গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, এনবিআরের নতুন উদ্যোগ সফল হলে দেশের ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো একটি আনুষ্ঠানিক রাজস্ব কাঠামোর আওতায় আসতে পারে। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়ার পাশাপাশি দেশের ব্যবসা খাতের একটি বড় অংশ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যভান্ডার তৈরির সুযোগও তৈরি হবে। তবে উদ্যোগটির প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে ভ্যাটের হার নির্ধারণ, মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন, ব্যবসায়ীদের সচেতনতা, প্রযুক্তিনির্ভর আদায়ব্যবস্থা এবং হয়রানিমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার ওপর।


0 মন্তব্যসমূহ