📢 প্রতিদিনের খেলার সূচি ও লেটেস্ট খেলার খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 চাকরির নিয়োগ, পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষার ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন ------ || ------ 📢 এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার কমে ৬২.২৫%, জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ------ || ------ 📢 খেলা||- ফুটবল-- আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। ------ || ------ 📢 হরমুজ প্রণালি কবে খুলবে, অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল বিশ্ববাজারে তেলের দাম।

অক্টোবরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার, সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানাল ইসি

 

অক্টোবরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার, সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানাল ইসি

অক্টোবরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার, সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানাল ইসি

ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে শুরু হতে পারে ভোট; আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ, সীমানা নির্ধারণে দ্রুত উদ্যোগের ইঙ্গিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, পকেট নিউজ | ৬ জুলাই ২০২৬

অক্টোবরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এখনই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে রাজি নয় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সীমানা নির্ধারণ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও আলোচনা ছাড়া নির্বাচনের সময়সূচি বা রোডম্যাপ ঘোষণা করা সমীচীন হবে না। তবে কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নিচ্ছে এবং অক্টোবরকে সামনে রেখেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ফল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অনেক বিষয় সরকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সরকারের সঙ্গে লিখিত ও অলিখিত উভয় ধরনের আলোচনা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের পক্ষে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া এই মুহূর্তে উপযুক্ত হবে না।

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, নির্বাচন কমিশন হাত গুটিয়ে বসে নেই। কমিশন অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিচ্ছে এবং নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রাথমিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকার বিষয়টি তুলে ধরে আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এবং জেলা পরিষদের নির্বাচন একে অপরের সঙ্গে সাংগঠনিকভাবে সম্পর্কযুক্ত। বিশেষ করে উপজেলা পরিষদের কাঠামোতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিরা পদাধিকারবলে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন না হলে উপজেলা পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো গঠন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন অপেক্ষাকৃত স্বতন্ত্র হওয়ায় সেটি আলাদাভাবে বিবেচনা করা যায়। তবে কোন নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনও কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তারপরও বাস্তবতা বিবেচনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হওয়া অধিক যৌক্তিক বলে তিনি মত দেন।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তা কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও অংশীজনদের মতামত নিয়ে আচরণবিধির চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের দায়িত্ব স্থানীয় সরকার বিভাগের। এ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সীমানা নির্ধারণের কাজ শেষ হলে পরবর্তী নির্বাচনসূচি নির্ধারণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আরও সহজ হবে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আগে প্রশাসনিক, আইনি ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনী আচরণবিধি চূড়ান্তকরণ এবং মাঠ প্রশাসনের প্রস্তুতিসহ একাধিক বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে।

আরও পড়ুন

৬০০ আবাসিক মডেল স্কুল-কলেজ গড়ার পরিকল্পনা

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিশূন্য থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে সেবা কার্যক্রম এবং গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নটি গুরুত্ব পেয়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে জনমতও তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন চাইছে প্রশাসনিক ও আইনি প্রস্তুতি নিশ্চিত করেই ভোটের তফসিল ঘোষণা করতে।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামালসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দিন জেবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইকরাম উদ-দৌলা।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কমিশনের প্রস্তুতি এগিয়ে চললেও চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণের আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ইসি। একই সঙ্গে আচরণবিধি, সীমানা নির্ধারণ এবং অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম দ্রুত শেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে কমিশন।

বাংলাদেশ সম্পর্কে সব খবর একসাথে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

নিয়মিত সকল খবরের আপডেট পেতে পকেট নিউজ এর সাথে থাকুন। পকেট নিউজ — হাতের মুঠোয় সকল খবর। www.pocketnews.online

আরও পড়ুন

জুনে কমলেও মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে, স্বস্তি মিলছে না সাধারণ মানুষের

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ